ওয়েব ডেস্ক: মঙ্গলবার রাত থেকে দেশজুড়ে ১২ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সর্বভারতীয় ওষুধ ব্যবসায়ীদের সংগঠন। ফলে বহু জায়গাতেই বন্ধ থাকবে ওষুধের দোকান (Medicine shop will close)। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে— বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু এবং নিয়মিত ওষুধের উপর নির্ভরশীল রোগীদের মধ্যে।
তবে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। ধর্মঘটের মধ্যেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের দোকান পরিষেবা চালু রাখবে। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, হাসপাতাল সংলগ্ন ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান, ‘দাভা ইন্ডিয়া’ এবং ‘প্রধানমন্ত্রী জনৌষধি কেন্দ্র’-গুলি ধর্মঘটের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ সেখান থেকে ওষুধ সংগ্রহ করতে পারবেন।
All pharmacy chains and hospital pharmacy stores, Jan Aushadhi stores, AMRIT Pharmacy stores will remain open tomorrow, in addition to the many state and chemist associations who have already pulled out from the strike: Sources
— ANI (@ANI) May 19, 2026
কেন ডাকা হয়েছে ধর্মঘট?
অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অফ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট (AIOCD)-এর অভিযোগ, ই-ফার্মাসি সংস্থাগুলি বিপুল ছাড়ে ওষুধ বিক্রি করছে এবং তাদের উপর পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ নেই। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রচলিত খুচরো ওষুধ ব্যবসায়ীরা।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে বৈঠকও করেছে। সেখানে ই-ফার্মাসির নিয়ন্ত্রণহীন কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি রোগীদের সমস্যার কথাও তুলে ধরা হয়েছে, বিশেষ করে যাঁরা জীবনদায়ী ওষুধের উপর নির্ভরশীল।
তবে এই ধর্মঘট সর্বত্র কার্যকর হচ্ছে না। এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খুচরো ওষুধ বিক্রেতা সংগঠন এই ধর্মঘট থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও। ফলে রাজ্যের বহু জায়গায় ওষুধের দোকান স্বাভাবিক ভাবেই খোলা থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবুও জরুরি প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহ করে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা।



