ওয়েব ডেস্ক: প্রচণ্ড গরমে এক গ্লাস ঠান্ডা পানীয় যেন মুহূর্তে স্বস্তি এনে দেয়। কোল্ড কফি, মোহিতো কিংবা নানা ধরনের শরবত বরাবরই গরমের মরসুমে জনপ্রিয়। তবে সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে স্বাদও। ফিউশন খাবার ও পানীয়ের প্রতি ঝোঁক বাড়ার ফলে সামনে আসছে একের পর এক নতুন রেসিপি। সেই তালিকায় এখন নতুন সংযোজন ‘ডাব-কফি’ (Tender Coconut Coffee)।
কিছুদিন আগেও ঘি-কফি নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলেছিল। ওজন কমানোর জন্য অনেক তারকার পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছিল সেই পানীয়। আর এ বার চর্চার কেন্দ্রে ডাব-কফি। কফির সঙ্গে ডাবের জলের মিশেলে তৈরি এই পানীয়কে অনেকেই বলছেন স্বাস্থ্যকর ও সতেজতার আদর্শ সমন্বয়।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, কফিতে থাকা ক্যাফিনের কিছু নেতিবাচক প্রভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে ডাবের জল। শুধু তাই নয়, এতে যোগ করা হচ্ছে ডাবের কচি শাঁসও। ফলে স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টিগুণও বাড়ছে।
কফির স্বাস্থ্যকর বিকল্প?
যাঁরা কফি খেতে ভালবাসেন, কিন্তু দুধ-চিনি মেশানো কফির স্বাস্থ্যগত প্রভাব নিয়ে চিন্তিত, তাঁদের অনেকেই এখন ডাব-কফির দিকে ঝুঁকছেন। কালো কফির তীব্র স্বাদের সঙ্গে ডাবের জলের মিষ্টতা মিশে তৈরি হচ্ছে নতুন স্বাদ। একই সঙ্গে মিলছে ডাবের জলের পুষ্টিগুণও।
গরমের দিনে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে ডাবের জলের জুড়ি মেলা ভার। এতে থাকা ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ফলে কফির স্বাদ ও ডাবের পুষ্টি— দুয়ের মেলবন্ধনেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই নতুন পানীয়।
কী ভাবে বানাবেন ডাব-কফি?
উপকরণ:
- দেড় চামচ মধু
- আধ কাপ দুধ
- ১ কাপ ডাবের জল
- ডাবের কচি শাঁস
- ১ চামচ কফি পাউডার
- বরফ কুচি
প্রণালী: প্রথমে ডাবের জল ও কচি শাঁস একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। চাইলে তাতে মধু মেশাতে পারেন। তবে ডায়াবিটিস থাকলে মধু না দেওয়াই ভাল।
অন্য একটি পাত্রে গরম জলে কফি পাউডার মিশিয়ে ভাল করে নেড়ে নিন। তার পর তাতে দুধ মেশান। গরুর দুধে অ্যালার্জি থাকলে কাঠবাদামের দুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। চাইলে দুধ বাদও দিতে পারেন।
এর পর একটি গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে প্রথমে কফির মিশ্রণ ঢালুন। উপর থেকে দিন ডাবের জল ও শাঁসের মিশ্রণ। সাজানোর জন্য উপরে ড্রাই ফ্রুটস কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করতে পারেন।


